কক্সবাজার, শুক্রবার, ১২ আগস্ট ২০২২

শিরোনাম

‘কক্সবাজার ভিউ ডট কম’ নামের একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ


প্রকাশের সময় :১৯ জুন, ২০২২ ৪:৩৪ : অপরাহ্ণ

গত ১৩ জুন ২০২২ইংরেজি তারিখে ‘কক্সবাজার ভিউ ডট কম’ নামের একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত “ঝিলংজায় দীর্ঘ ৫০ বছরের চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ” শিরোনামের সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমি সম্পুর্ন মিথ্যা, বানোয়াট ও উস্কানিমুলক এই সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

সম্পুর্ন উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে মিথ্যা-কাল্পনিক কাব্য রচনা করে সংবাদটি সাজানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে উল্লেখিত স্থানে কোন চলাচলের রাস্তা বন্ধ করা হয়নি এবং কোন রাস্তার উপর কোন ধরনের স্থাপনাও নির্মাণ করা হয়নি। মুলত: যে জায়গাটিকে ৫০ বছরের চলাচলের রাস্তা বলা হয়েছে সেটিও সম্পুর্ন মিথ্যা। উল্লেখিত স্থানে নির্দিষ্ট ও দৃশ্যমান কোন রাস্তা ছিলোনা এবং এটি সরকারী কোন কর্তৃপক্ষ বা রাস্তার নামে অধিগ্রহন করা সম্পদও নয়। এটি সম্পুর্ন ব্যক্তি মালিকানাধিন খতিয়ানভুক্ত জমি। ঝিলংজা ইউনিয়নের হাজী পাড়া এলাকার পৈত্রিক সুত্রে পাওয়া ৪৯ শতক ভিটি জমি স্থানীয় নুরুলহুদা(সিদু), আবুল কাশেম(মৃত) ও ফজলুল হক(মৃত) গং এর ওয়ারিশগন ভোগ দখলে আছেন। কিন্তু মালিক পক্ষ একে অপরের মধ্যে সীমানা বিরোধ থাকার কারনে পুরো জায়গাটিতে বাউন্ডারি বা ঘেরা ছিলোনা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় কিছু লোকজন উল্লেখিত ভিটা-বাড়ির ফাঁক-ফোকর দিয়ে মাঝে-মধ্যে হাটা চলা করতো। কিন্তু সম্প্রতি উক্ত জমির মালিকদের মধ্যে থাকা বিরোধ মিটে গেলে ওয়ারিশগন নিজ নিজ ভিটা রক্ষনাবেক্ষনের উদ্যোগ নেন এবং জমির সকল ওয়ারিশদের পরামর্শক্রমে জমিটির একপাশে নিজ নিজ মালিকানাধিন খতিয়ানভুক্ত জমি থেকে স্থানীয়দের চলাচলের জন্য ৬ ফুট প্রস্থ রেখে নির্দিষ্ট পরিমান জমি রাস্তার জন্য ছেড়ে দেন।

এর পরও স্থানীয় একটি কুচক্রি মহল সম্পুর্ন বে-আইনী অনধিকার প্রবেশ করে জমির মালিকদেরকে নানা ভাবে বাঁধা ও হুমকি-ধমকি প্রদান করে আসছে। শুধু তাই নয় বিভিন্ন মিথ্যা, কাল্পনিক নাটক সাজিয়ে সাংবাদিকদেরকে ভুল তথ্য সরবরাহ করে উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে আমাকে সমাজের কাছে হেয়প্রতিপন্ন করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। যা জঘন্যতম অপরাধ।

উক্ত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে-“কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড দক্ষিণ হাজী পাড়ায় মানুষের চলাচলের রাস্তা দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মোঃ ইরফানের বিরুদ্ধে”। এছাড়াও একটি কথিত অভিযোগের বরাত দিয়ে প্রকাশিত সংবাদে আমাকে ‘চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অবৈধ জবর দখলকারী, লোভী ও আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোক বলে প্রকাশ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে আমার পারিবারিক ও সামাজিক সম্মান হানী করা হয়েছে।
অপরাপর ওয়ারিশগনের মতো আমিও উক্ত জমির একজন অংশিদার মাত্র। কিন্তু পুর্ব শত্রুতার জের ধরে অন্যান্য ওয়ারিশগনের নাম গোপন রেখে শুধুমাত্র আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। যা একটি পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে আমি মনে করি।

সাংবাদিক ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই,কোন কিছুর বিষয়ে ভালো করে না জেনে সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকতার নীতি পরিপন্থি। এছাড়াও সংবাদটি প্রকাশ করার আগে আমার কোন বক্তব্যও জানতে চাওয়া হয়নি। ভবিষ্যতে উক্ত বিষয়ে যে কোন ধরনের সংবাদ প্রকাশ করার ক্ষেত্রে ভালো ভাবে তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন মনে করছি। এবং কোন তথ্য প্রমাণ ছাড়া কারো চরিত্র হনন করা থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। ভবিষ্যতে এর ব্যত্যয় ঘটলে আমি আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবো।

আমি উক্ত মিথ্যা, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত সংবাদে প্রশাসনসহ কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

প্রতিবাদকারী
ইমরুল কায়েস ইরফান
হাজীপাড়া, ঝিলংজা, সদর, কক্সবাজার।

ট্যাগ :