কক্সবাজার, বুধবার, ২০ জানুয়ারী ২০২১

প্রকল্পের টাকা নিয়ে উধাও ঠিকাদার: ৩ বছর পরেও শেষ হয়নি ইসলামাবাদ ইউপি-ইসলামপুর বাজার সড়কের কাজ


প্রকাশের সময় :২৮ ডিসেম্বর, ২০২০ ২:৪৫ : পূর্বাহ্ণ

আপন ডেস্কঃ

কক্সবাজার সদর উপজেলার ইসলামাবাদ ইউনিয়নের বোয়ালখালীর ইউনিয়ন সংযোগ সড়কটি (ইসলামাবাদ-ইসলামপুর বাজার সড়ক) ভিত্তিপ্রস্তরের প্রায় তিন বছর হয়ে গেলেও জেলা ও উপজেলা বিভিন্ন স্থরের কর্মকর্তাদের কারসাজিতে অসম্পুর্ণ রেখে দিয়ে প্রকল্পের পুরো টাকা পকেটে নিয়ে চম্পট দেয় ঠিকাদার।

উল্লেখ্য যে, গত বিগত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ইং কক্সবাজার সদর – রামু আসনের সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল এলজিডির বাস্তবায়নকৃত বৃহত্তর চট্রগ্রাম গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প-০৩ নামের একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। কিন্তু দুঃখ জনক হলেও সত্যি যে ভিত্তিস্থাপনের মেয়াদ আজ পর্যন্ত প্রায় তিন বছর ছুঁই ছুঁই হলেও শুধু মাত্র উপরের কার্পেটিং ছাড়া তেমন কোন কাজ না করেই পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা জানান- ঠিকাদারি প্রতিষ্টানটির কর্মকর্তাদের সাথে আমরা যোগাযোগ করলে বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে এই পর্যন্ত তিন বছর অতিক্রম করতেছে কিন্তু আমাদের বোয়ালখালীর সড়কটি তারা পরিপুর্ন না করে প্রকল্পের টাকা তুলে চলে গেছে। আমারা বিভিন্ন মাধ্যমে জানার পর উপজেলা প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং জেলা প্রকৌশল অধিদপ্তরে যোগাযোগ করলে তারা জানান- কাজ এখনো শেষ হয়নি । ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অবশিষ্ট কাজ সমাপ্ত করবেন বলেও জানান তারা।

সরেজমিনে সড়কটি গিয়ে দেখা যায় সড়কের উপরে কার্পেটিং থাকলেও সড়কের দুই পাশে প্রায় গর্ত, কিছু কিছু জায়গায় দেখা যায় রাস্তার এক পাশ ভেঙ্গে নেমেগেছে। সম্পূর্ণ রাস্তায় দুইপাশে নির্দিষ্ট পরিমাণ মাটি প্রকল্পের বাজেটে ধরা থাকলেও রাস্তার দুই পাশে তেমন কোন মাটি নেই যার কারনে বিভিন্ন স্থান ভেঙ্গে গেছে এবং বর্ষা মৌসুমে রাস্তার পর্যাপ্ত ক্ষতি হতে পারে।

জানা যায় কক্সবাজার সদরের ইসলামাবাদ বোয়ালখালীবাসির অনেক দিনের কষ্টের পর কক্সবাজার সদর রামু আসনের মাননীয় সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমল গত নির্বাচনে তাদের কথাদিয়ে এই রাস্তার টেন্ডার সহ যাবতীয় কাজ নিজেই করে বোয়ালখালী বাসী কে উপহার দেন এই ইসলামাবাদ ইউপি টু ইসলামপুর বাজার সড়কটি। কিন্তু খতিত এক ঠিকাদার এবং কক্সবাজার এলজিইডির দায়িত্বহীনতায় সড়কটি উদ্বোধনের আগেই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে মুঠোফোনে ঠিাকাদার ফরিদুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে রিং হলেও কল কেটে দেওয়ায় যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এই সড়কটির দায়ীত্বে থাকা কক্সবাজার সদর উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান রাস্তার কাজ শেষ বিল দিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক আগে তবে আনুষ্ঠানিক কোন উদ্বোধন করা হয়নি।

ট্যাগ :