কক্সবাজার, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

শিরোনাম

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা কি মৃত্যুর পরওয়ানা নিয়ে কক্সবাজার এসেছিল ?


প্রকাশের সময় :৫ আগস্ট, ২০২০ ৯:৪৪ : পূর্বাহ্ণ

মোহাম্মদ হোসাইন
সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক,কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ

শুনেছি অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিন‌‍‍হা নাকি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ছিল। মুক্তিযোদ্ধারা জাতির গর্বের সন্তান,জাতির অহংকার।কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস বিউগলে বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তান সিনহার চির বিদায় হল। মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের একি পরিনতি !মায়ের চোখের জলে সন্তানের সমাধিতে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার চোখে যেন আগ্নেয়গিরির লাভার মত নির্গত হচ্ছে। তাদের চোখের জল যেন মহাসাগরের জলের সাথে একাকার হয়ে গেল।সন্তানের প্রতি মায়ের স্নেহ ,মায়ামমতা ও ভালবাসার জন্য কোন মাকে পাঠশালায় যেতে হয়না বা কোন স্কুল কলেজ ইউনিভারসিটি অথবা মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষা নিতে হয়না। সন্তানের প্রতি মায়ের ভালবাসা এটা তার সহজাত ধর্ম, আল্লাহ প্রদত্ত। অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা ও এমনি এক হতভাগিনী দূঃখিনি মায়ের সন্তান। মৃত্যুর পরওয়ানা নিয়ে কি তিনি কক্সবাজার এসেছিলেন? সিনহার অকাল মৃতুতে সন্তানহারা মায়ের হাহাকার, ভাই হারা বোনের ফরিয়াদ,ভাই হারা ভাই এর আহাজারিতে আকাশ ভারি হয়ে উঠল।মায়ের কাছে সন্তানের লাশ কতভারী কত যন্ত্রণাদায়ক, একমাত্র তার মা ছাড়া পৃথিবীতে আর কেউ জানেনা। সন্তান হারা মায়ের ব্যথা বেদনা সইতে না পেরে মা পাগলের মত হয়ে গেছে।
জানি আর কোন মায়ের আচঁল দিয়ে এই মায়ের চোখের জল মুছে ফেলা যাবেনা।
গুলি করে মানুষ হত্যা করা যায়,কিন্তু মানুষের অন্তরে যে স্রষ্টা বসবাস করেন তাকে কি কোন দিন হত্যা করা যাবে ? দুনিয়ার বিচারে কি হয় জানিনা,আখেরাতের বিচারে কারো তো সুপারিশ চলবেনা।শাস্তি পেতেই হবে। যদি সে নিরপরাধ হয়,তবে কেন এই হত্যাকান্ড?দায়ী কে?

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও একজন পিতামাতা ,ভাইবোন ও আত্নীয়স্বজন হারা এক দূঃখিনি মা,আরেকজন সন্তান হারা হতভাগিনী মায়ের কাছে সমবেদনায় গোটা জাতি যেন আজ অশ্রুসিক্ত।

ইতিমধ্যেই জানতে পারিলাম মামলা হয়েছে ও উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের স্বার্থে কোন মন্তব্য নেই।

ট্যাগ :